ট্রেন ভ্রমণ



রেল ভ্রমণ যাতে আধুনিক পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে ঐতিহ্যবাহী বাষ্প ট্রেন থেকে উচ্চ গতির বুলেট ট্রেন, ঘুরে বেড়ানো বা ডিনার ট্রেন থেকে গতির সুবিধা সবকিছু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রেলপথে ঝুঁকি কম থাকায় এটি মানুষের নিকট ব্যাপক জনপ্রিয়টা লাভ করে। আকার আয়তনে বেশি এবং ভারী জিনিস পরিবহনে রেলপথের প্রাধান্য বেশি।
জানুন

১৯ শতকের প্রথম দিকে, রেলওয়ে দ্রুত ভূ-পরিবহনের উপায় হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং বেশিরভাগ দেশ ও শহরগুতে তাঁর চিহ্ন রাখে, এমনকি অটোমোবাইলের উত্থানের আগেও। রাশিয়াতে ট্রান্স সাইবেরিয়ান মহাসড়কটি ২১ শতকের প্রথম দিকে খোলার আগ পর্যন্ত ট্রান্স-সাইবেরিয়ার রেলওয়ে উপকূল-থেক-উপকূলের একমাত্র ভূ-পরিবহন ছিল; কানাডায়, ১৯৬১ সালে ট্রান্স-কানাডা মহাসড়ক সম্পন্ন না হওয়ার আগ পর্যন্ত দেশটি কেবল রেল দ্বারা একীভূত ছিল।
দেশগুলোর মধ্যে রেলওয়ের অবকাঠামোর প্রাপ্যতা এবং গুণগত মানের তারতম্য রয়েছে। জার্মানি ও জাপানের মতো দেশগুলিতে শহরগুলির মধ্যে একটি চমৎকার রেল নেটওয়ার্ক আছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে স্থলপথে পরিবহনের দ্বিতীয় প্রধান মাধ্যম হল রেলপথ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও মাল পত্র রেলের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়। বাংলাদেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থা মূলত এসেছে ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ পরিচালিত 'আসাম - বাংলা ' রেল পরিবহন থেকে। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের পর থেকে রেল পরিবহন ক্রমশ বাড়তে থাকে। ২০০৫ সালের মধ্যে ২,৭০৬ কিলো মিটার রেলপথের বিস্তৃতি লাভ করে এবং এখনো এর বৃদ্ধির কাজ চলছে।

You have to wait 70 seconds.





যাত্রীবাহী ট্রেন

একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে যাত্রী-বহনকারী গাড়ি থাকে এবং এটি প্রায়শই দীর্ঘ ও দ্রুতগামী হয়ে থাকে। এটি স্ব-চালিত মাল্টিপল ইউনিট বা রেলকার, অথবা এক বা একাধিক লোকোমোটিভ এবং কোচ, গাড়ি বা কামরা বলে পরিচিত এক বা একাধিক বিদ্যুতহীন ট্রেলারের সমন্বয় হতে পারে। যাত্রীবাহী ট্রেন স্টেশন বা ডিপোসমূহের মধ্যে চলাচল করে, যেখানে যাত্রীরা উঠতে ও নামতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে, যাত্রীবাহী ট্রেন একটি নির্দিষ্ট সময়সূচীতে পরিচালিত হয় এবং মালবাহী ট্রেনের চেয়ে অধিক ট্র্যাক দখলের সুবিধা রাখে।
রেলগাড়ির ইতিহাস
জর্জ স্টিফেনসের প্রচেষ্টায় ইংল্যান্ডে ১৮২৫ সালের ২৭ শে সেপ্টেম্বর বিশ্বের প্রথম রেলগাড়ি চলাচল শুরু হয়। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে ভারতীয় উপমহাদেশে রেলগাড়ির যাত্রা শুরু হয়।



 

Comments