- Get link
- X
- Other Apps
- Get link
- X
- Other Apps
ইতিহাস
পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নুরুল আমিনের ক্ষমতাকালে ১৯৫২ সালে সিবিডি কর্তৃক এই মার্কেটের নির্মানকাজ শুরু হয়। এর নির্মানকাজ শেষ হয় ১৯৫৪ সালে। এই মার্কেটের স্থাপনের মাধ্যমে ঢাকার আধুনিকায়নের পথে অগ্রসর হয়। পুরাতন ঢাকার রিক্সা চলার পথ বা সরু পায়ে চলার পথে অবস্থিত মার্কেটে কেনাকাটা পরিবারের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। পুরাতন ঢাকা অনেক ঘনবসতি ও গোলযোগপূর্ণ। মিঃ নরুল আমীনের আধুনিকায়ন প্রকল্প অনেকটা সীমাবদ্ধ ছিল, তাই জনগণ এর বিপক্ষে অনেক প্রতিবাদ করে। কেউ কেউ বিশ্বাস করে ঢাকা নিউ মার্কেট ও শাহবাগ হোটেল শুধুমাত্র নুরুল আমীনের পরিবারের ব্যবহারের জন্য নির্মিত হয়েছিল।
স্থাপনা
নিউ মার্কেট এলাকাটি ত্রিভুজাকৃতির যার তিনদিকে সুউচ্চ মিনারের মতন তোরণ আছে। এই মার্কেটে মোট ৪৪০ টি দোকান এবং এর মধ্যভাগে একটি ত্রিভুজাকৃতির লেন আছে। এই মার্কেটের মোট আয়তন ৩৫ একর। (১,৪০,০০০ বর্গ মিঃ)
ঐতিহ্য
৫০ ও ৬০’র দশকে, এই স্থানটি কেনাকাটার পাশাপাশি সময় কাটানোর জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল। নভেল্টি, একটি আইস-ক্রিমের দোকান, যা যুবসমাজের কাছে জনপ্রিয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। ৮০’র দশকে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের অধীনে নিউ মার্কেটের উত্তর অংশে তিনটি ব্লক স্থাপন করা হয়, যেমন, গৃহস্থালী ব্যবহার্যের সামগ্রীর জন্য নিউ সুপার মার্কেট, রান্নাঘরের সামগ্রীর জন্য বনলতা, বিভিন্ন পন্যসামগ্রীর জন্য চন্দ্রিমা ও গাউসিয়া মার্কেট, মুদি মালামালের জন্য ডি ব্লক, যাদের প্রত্যেক অংশে হাজারেরও বেশি দোকান আছে। এই মার্কেটের সীমানায় একটি সুন্দর বাগান ছিল, যা পরবর্তীতে মসজিদে রূপান্তর করা হয়, এই মসজিদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত এবং এর নিচলতলায় ৬০ টি নতুন দোকান তৈরী করা হয়। নিউ মার্কেট মসজিদটিকে বিমান মসজিদও বলে ডাকা হয়।
- Get link
- X
- Other Apps





Comments
Post a Comment