বাংলাদেশে সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট





অবস্থান
গাইবান্ধা জেলার, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের খোদ্দা ও লাঠশালার চরে ৬৫০ একর জমির ওপর তিস্তা সোলারে নির্মাণ করা হয়। সৌরবিদ্যুত পকল্পটি নির্মাণ করেন।বাংলাদেশের বেক্সিমকো কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।

নির্মাণ
২০১৭ সালে ওই দুর্গম চরে পরিত্যক্ত প্রায় ৬৫০ একর জায়গায় ‘তিস্তা পাওয়ার প্ল্যান্ট’ নামে দেশের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়। কাজটি করছে বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থাপন করা হয়েছে ৮৫টি মাউন্টিং পাইলস। যার ওপরে বসানো হয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৬০ হাজার সৌর প্যানেল। সারি সারি সাজানো সৌর প্যানেল।এসব সৌর প্যানেল থেকে ১২০টি ইনভার্টারের মাধ্যমে প্রতিদিন ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এজন্য ২৮টি বক্স ট্রান্সমিশনে সংযোগ স্থাপন, সাবস্টেশনসহ ১২০ কেভিএ ট্রান্সমিশন টাওয়ার নির্মাণ এবং জাতীয় গ্রিডে সংযুক্তির জন্য তিস্তা পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে রংপুর পর্যন্ত তৈরি হয়েছে ৩৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার লম্বা সঞ্চালন লাইন। এ লাইনের মাধ্যমেই সুন্দরগঞ্জের কেন্দ্রটি থেকে রংপুর গ্রিড সাবস্টেশনে বিদ্যুৎ সরবরাহ হবে।

You have to wait 70 seconds.







এটি দেশের মধ্যে বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প। এর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাটসহ রংপুর বিভাগের বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ হবে।

উদ্বোধন
২০২৩ সালের ২ আগষ্ট রংপুর জেলা স্কুল মাঠে আওয়ামী লীগের বিভাগীয় মহাসমাবেশে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকল্পটি উদ্বোধন করেন।



 

Comments