- Get link
- X
- Other Apps
- Get link
- X
- Other Apps
দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার হচ্ছে ২৪ হেক্টর জমির ওপর বাস্তবায়নাধীন একটি প্রকল্প যা দৈনিক ৫০ কোটি লিটার পয়ঃবর্জ্য পরিশোধনের মাধ্যমে ৫০ লাখ ঢাকাবাসীকে সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চীনা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হাইড্রো চায়না কর্পোরেশন।২০১৫ সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে দুই দফা সংশোধনীতে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। ১৩ ই জুলাই ২০২৩ এ পয়ঃশোধনাগারটি উদ্বোধন করা হয়েছিল। শুরুতে প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ৩১৭ কোটি টাকা। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ ও খরচ বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। যেটাতে চীন সরকার ঋণ সহায়তা দিচ্ছে।
প্রকল্প
বিশ্বের জনবহুল দেশগুলোর মধ্যে দুই কোটিরও বেশি মানুষের বসবাস ঢাকা একটি অন্যতম শহর। তবে শহরটিতে পয়ঃবর্জ্য শোধনের যথাযথ ব্যবস্থা না থাকায় নগরের সব পয়ঃবর্জ্য ড্রেন, নালা, খাল, ঝিল গড়িয়ে চলে যেত ঢাকার চারপাশের নদীতে। ফলে ভয়াবহ আকারে পৌঁছায় নদীর পানিদূষণ। এর সমাধান হিসেবে ঢাকা ওয়াসা দাশেরকান্দিতে পয়ঃশোধনাগার স্থাপন করে পরীক্ষামূলক পয়ঃশোধনের কাজ শুরু করেছে। তবে নানা অভিযোগের মধ্যে রয়েছে বাসাবাড়ির পয়োবর্জ্য সংযোগ নির্মাণ করা হয়নি বলে বাড়ির মালিকরা শৌচাগারের বর্জ্য পাইপের সাহায্যে নিচ্ছেন সিটি করপোরেশনের নর্দমা, খাল বা লেকে।
ঢাকা ওয়াসার আওতাধীন প্রণীত সুয়ারেজ মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ঢাকা শহরের ভিতর পাগলা, দাশেরকান্দি, রায়েরবাজার, উত্তরা এবং মিরপুর এলাকায় মোট পাঁচটি পয়ঃশোধনাগার নির্মাণ করা হবে। যাতে আশপাশের এলাকার সৃষ্ট পয়ঃবর্জ্য পরিশোধন করে বালু নদীতে নিষ্কাশিত করার মাধ্যমে পানি ও পরিবেশ দূষণ রোধ করা সম্ভব হয়।
অবকাঠামো
দাশেরকান্দি শোধনাগারের মাধ্যমে হাতিরঝিলের দক্ষিণ দিকে নির্মিত ছয়টি এবং উত্তর দিকের পাঁচটি স্পেশাল স্যুয়ারেজ ডাইভারশন স্ট্রাকচার (এসএসডিএস) দিয়ে নির্গত বর্জ্য শোধন করা হবে। অতঃপর সেই পানি ফেলা হবে বালু নদীতে। এতে নদীদূষণ হ্রাস পাবার পাশাপাশি চাপ কমবে সায়েদাবাদ পানি শোধনাগারের ওপরও।
এই পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার প্রকল্পে প্রতিদিন ৫০ কোটি লিটার পানি শোধন করে ৪৮ কোটি লিটার স্বচ্ছ পানি বালু নদীতে ফেলা হবে। যাতে বালু নদীর পাশাপাশি শীতলক্ষ্যা নদীর পানি দূষণের পরিমাণও কমবে। এছাড়া এই শোধনাগারের প্রাত্যহিক শুষ্ক বর্জ্য, সিমেন্ট কারখানায় ব্যবহার করা যাবে কাঁচামাল হিসেবে।
দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার এধরণের বর্জ্যপানি শোধনে পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় সর্ব বৃহৎ পয়ঃবর্জ্য শোধনাগার।
- Get link
- X
- Other Apps





Comments
Post a Comment